মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভোমরাদহ ইউনিয়নের ইতিহাস

ইউনিয়ন পরিচিতিঃ ইউনিয়নের পুর্বে কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়ন পস্চিমে রাণীশংকৈল উপজেলার রাতোর ইউনিয়ন উত্তরে খনগাঁও ইউনিয়ন এবং দক্ষিনে পীরগঞ্জ ইউনিয়ন ও পীরগঞ্জ পৌরসভা।এই অঞ্চল ঠাকুরগাঁও জেলা সহ আশেপাশের জেলাগুলো এক সময় ছিল সমুদ্র গর্ভে বিপুল জলরাশিতে নিমজ্জিত এই ভূখন্ডটি কালপ্রবাহে জেগে ওঠে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল বিশেষকরে বৃহত্তর দিনাজপুরের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা সমুদ্র গর্ভের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসে তাই অনেক আগে। আর এজন্যই এই এলাকার মানুষ সভ্যতার পথে হাঁটতে শুরু করেছে অপেক্ষাকৃত আগে থেকেই। তাই প্রাচীন সভ্যতার কোনো নিদর্শন যদি খুঁজে পেতে চাই তাহলে তার সন্ধান করতে হবে প্রাচীন জনপদ ঠাকুরগাঁও ও সংলগ্ন এলাকাতেই। প্রাচিন কালে এই ইউনিয়ন ছিল বিশাল এক নদী/জলভুমি এই অঞ্চলে এক সময় নৌকা চলাচল বা জলপথ হিসাবে  ব্যবহার হতো  সনাতন ধর্ম অনুশারে বেহুলা লক্ষিন্দর এর বিবাহের সময় ১৮ টি ঘাট অতিক্রম করতে হয়েছিল তার মধ্যে একটি ধুপির ঘাট। আর সেই ঘাটটি এই ইউনিয়নে অবস্থিত (বর্তমানে ঘাট নেই যায়গাটির নাম এখনো ধুপির ঘাট।)এখানে বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে আছে অজস্র প্রত্নসম্পদ। মাটি খুঁড়লেই এখানে এখনো পাওয়া যায় প্রাচীন অট্টালিকার ধবংসাবশেষ সহ বহু মূল্যবান পুরাকীর্তি। ১৯৭৭ খিষ্টাব্দে এই ইউনিয়নের ডাবনিহার পুকুর খননের সময় ৪ টি মুল্যবান পাথরের মুর্তি পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পুকুর খনন করার সময় বিভিন্য মুর্তি ও পুরাকীর্তি পাওয়া যায় এগুলোর মধ্যে পাথরের বুদ্ধ মূর্তি ও বিষ্ণু মূর্তির সংখ্যাই বেশি 

ভোমরাদহ ইউনিয়নের নাম করনঃ এই ইউনিয়নের নাম করন কোনো আনুষ্ঠানিক ভাবে হয়েছে বলে যানা যায়নি তবে এই ইউনিয়ন ছিল বণ জঙ্গলে ভরা  এই ঘন বনের মাঝে ছিল প্রচুর কাল ভোমরা/ভ্রমর আর এই ভ্রমর থেকেই ভোমরা শব্দটি এসেছে দহ সব্দটি এসছে আঞ্চলিক ভাষা থেকে। এই অঞ্চলে দহ শব্দের অর্থ = গভির/গহিন/প্রচুর/অসিম। এভাবেই এ ইউনিয়নের নাম হলো ভোমার+দহ = ভোমরাদহ। এই ইউনিয়নে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান ও আদীবাসি (সাওতালের) বসবাস।

সংগ্রহে

মোরসেদ হোসেন রানা


Share with :

Facebook Twitter